,

সংবাদ শিরোনাম :

ভান্ডারিয়া মজিদা বেগম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে হাজিরার উদ্ধোধণ

এস সমদ্দার ভান্ডারিয়া : ভান্ডারিয়া মজিদা বেগম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গতকাল বুধবার বিদ্যালয় কতৃপক্ষের উদ্যোগে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক,কর্মচারী,শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে চালু করা হয় ডিজিটাল পদ্ধতিতে হাজিরা। সকাল ১০টায় আনুষ্ঠানিক ভাবে সুইচ টিপে এর উদ্ধোধন করেন প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক শাহীন আক্তার সুমী। পরে দশম শ্রেণির কক্ষে প্রধান অতিথির উপস্থিতিতে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্লাশে প্রবেশ করেন ওই ক্লাসের শিক্ষার্থীরা। পৃথক ভাবে তিনটি কক্ষের মধ্যে একটিতে বিভিন্ন কর্মকর্তার পরিদশণ, শিক্ষক,কর্মচারী ও অন্য দুটি কক্ষে শিক্ষার্থীরা এ পদ্ধতিতে ক্লাসে প্রবেশ করেন। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জাতীয়পার্টি জেপির উপজেলা সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক,পৌর কাউন্সিলর ও সাবেক সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. গোলাম সরওয়ার জোমাদ্দার। প্রধান অতিথি বিদ্যালয় পরিদর্শণ এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক খোঁজ খবর নেয়ার সময় প্রধান শিক্ষক মো. ফারুকুজ্জামান মন্টু জানান, এই অঞ্চলের নারী শিক্ষার প্রসারের জন্য দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য জাতীয়পার্টি জেপির চেয়ারম্যান এবং বর্তমান সরকারের পানি সম্পদ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ভাবে তাঁর মা মহীয়সী নারী মাজেদা বেগমের নামে ১৯৯৬সালে এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত করেন। তখন ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত মানবিক,বিজ্ঞান ও বানিজ্য শাখায় মোট ৭৫জন শিক্ষার্থী,৭জন শিক্ষক ও ৩জন কর্মচারী নিয়ে বিদ্যালয়টির যাত্রা শুরু হয়। সে থেকে কৃতিত্বের সহিত জে এসসি,এসএসসির ফলাফল ,ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক ,শিক্ষা মূলক বিতর্ক প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত মানবিক,বিজ্ঞান ও বানিজ্য শাখায় মোট ৪৪১জন শিক্ষার্থী রয়েছে। ১৩জন শিক্ষক,৩জন কর্মচারী রয়েছে। এক প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষক বলেন, কোন শিক্ষার্থী ক্লাশে অনুপস্থিত হতে না পাড়ে বা কোন শিক্ষক যাতে ক্লাস ফাকি দিতে না পারে সেজন্য এই পদ্ধতিটি আমরা গ্রহন করেছি। এর সুফল শিক্ষার্থীদের অভিভাবক তাদের মোবাইল ফোনে দেখতে পারবে তার মেয়ে ক্লাসে আছে কিনা। আর এই পদ্ধতি চালু করতে তার সর্বসাকুল্যে খরচ হয়েছে ৪৬হাজার টাকা। তবে কম্পিউটার ল্যাব সরকার থেকে পাওয়া। শুধু তাই নয় যদি কেউ চায় তা হলে এই ওয়েব সাইটে পৃথিবীর যে কোন স্থানে বসে বিদ্যালয়টির সার্বিক অবস্থা দেখতে পারবে। বিশেষ অতিথি বলেন আমার(তার) জানা মতে বরিশাল বিভাগে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে হাজিরার সিস্টেম এই প্রথম। এ জন্য বর্তমান সরকারে প্রধান মন্ত্রী পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে ধন্যবাদ জানান। কারন এই ডিজিটাল পদ্ধতির উদ্¦াভক তিনি। এসময় অন্যান্যের মধ্যে স্ব স্ব বিভাবের শিক্ষক,অভিভাব সদস্য মো. জামাল উদ্দিন লিটন উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রধান অতিথি উপস্থিত শিক্ষার্থীদের সাথে কুশল বিনিময় শেষে তাদের (শিক্ষার্থীদের) নিয়ে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ,নারীর প্রতি সহিংসারোধ সহ নারী বান্ধব সব ধরনের জনসচেতনতা মুলক অনুষ্ঠান করার আশ্বাস দেন।

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *