,

সংবাদ শিরোনাম :

বিষের বোতল হাতে নিয়ে পংগু মেয়ের কথিত প্রেমিকের বাড়িতে অনশন

বুলবুল ,ফরিদপুর : ফরিদপুরের সালথায় প্রতিবন্ধী মেয়েকে বিষের বোতল হাতে দিয়ে প্রতিপক্ষের বাড়িতে পাঠিয়ে ২ (দুই) লক্ষ টাকা জরিমানার করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা গেছে,গত মঙ্গলবার ৯ অক্টোম্বর উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের রাঙ্গারদিয়া গ্রামের মৃত মুরাদ মাতুব্বরের ছেলে ইব্রাহীম (১৮) এর বাড়িতে যোগাড়দিয়া গ্রামের ওবাইদুর খাঁনের পংগু মেয়ে প্রেমের টানে ইব্রাহিমের বাড়িতে গিয়ে ওঠে। পরে স্থানীয় মুরুব্বিগন মিমাংসা করবে বলে পুলিশের সাথে শলা-পরামর্শকরে মেয়েকে থানায় এনে আবার তার বাবার কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং সময় ক্ষেপন করে অভিযুক্ত ইব্রাহিমকে বাড়ির বাহিরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ইব্রাহীম বাড়িতে না থাকায় তার অবর্তমানে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যাক্তি শালিস বসিয়ে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করে। অভিযুক্ত ইব্রাহিমের মা পারুলী বেগম বলেন, আমার ছেলের সাথে এ মেয়ের কোন সম্পর্ক রয়েছে কিনা আমার জানা নেই, ছেলেও বাড়িতে নেই। আমার ছেলেকে ফাঁসাতে এই মেয়েকে তারা আমার বাড়িতে পাঠিয়েছে।
পরে ১০ অক্টোম্বর রাতে সোনাপুর ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান জাফর মোল্যার বাড়িতে শালিস বসিয়ে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করে এ টাকা পরিশোধ করার জন্য ছেলে পক্ষকে উপুর্যপরি চাপ প্রয়োগকরা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এদিকে মেয়ের বাবা ওবাইদুর খাঁন বলেন, আমার মেয়ের সাথে ইব্রাহীমের সম্পর্কের কারনেই তার বাড়িতে গিয়ে উঠেছে। মেয়ে ঐ বাড়িতে গিয়ে আমাদের ফোনে জানিয়েছে যে, সে ঐ বাড়িতেই অবস্থান করছে। আমরা মেয়েকে জোর করে পাঠাইনি সে, স্ব-ইচ্ছায় ছেলেদের বাড়িতে গিয়েছে।
স্থানীয় শালিসের মাতুব্বর মান্নান বলেন, আমরা যারা শালিসে ছিলাম তারা সবাই মিলে একটা জরিমানা করেছি তবে সেটা অভিযুক্ত ইব্রাহিমকে না পাওয়া পর্যন্ত স্থগীত রেখা হয়েছে।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষের মাতুব্বরদের দৌড়-ঝাঁপ অব্যাহত রয়েছে এবং মেয়েকে দূর সম্পর্কের আত্মীয়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে বলে মেয়ের পিতা জানিয়েছেন। এঘটনার পর অভিযুক্ত ইবরাহীম এষনও পর্যন্ত বাড়িতে না ফেরার কারনে শালিসী ফয়সালা ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। তবে এলাকায় মারমুখী অবস্থা বিরাজ করছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় এক মাতুব্বর জানান, উভয় পক্ষের মধ্যে যে কোন সময় বড় ধরনের কাইজ্যা লাগতে পারে।

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *